প্রতিদিনের আমল ও দোয়া

প্রতিদিনের আমল ও দোয়া আমাদের মুসলিমদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।যা আমাদের অন্তরে প্রশান্তি দান করে পাশাপাশি আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।প্রতিনিয়ত দোয়া ও আমল আমাদের গুনাহ থেকে বিরত রাখে।প্রতিদিনের জিকির,তাসবিহ তাহলিল সুন্নাত আমলগুলো সম্পর্কে আজকের আর্টিকেল আলোচনা করা হয়েছে।

প্রতিদিনের-আমল-ও-দোয়া

পোস্ট সূচিপত্রঃপ্রতিদিনের আমল ও দোয়া

প্রতিদিনের আমল ও দোয়া

প্রতিদিনের আমল ও দোয়া আমাদের মুসলিমদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের যেভাবে জীবন পরিচালনা করার বিধান দিয়েছে তা পালনে অবশ্য কর্তব্য।প্রতিদিনের আমল ও দোয়া একজন মুসলিমকে অন্তর থেকে শক্তিশালী করে তোলে।প্রতিদিন ছোট ছোট দোয়া ও আমলগুলো করার অভ্যাস করা ।


কারণ এই ছোট ছোট দোয়া ও আমল গুলোই আমাদের নেকির পাল্লা ভারী করতে পারে।ছোট ছোট আমল যেমন কোন কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা,ভালো কিছু সুসংবাদ শুনে শুকরিয়া আদায় করে আলহামদুলিল্লাহ বলা,সালামের জবাব দেওয়া,হাঁচি উঠলে উত্তর দেওয়া ইত্যাদি।এগুলো প্রতিনিয়ত আমল করার মাধ্যমে ঈমানী শক্তি মজবুত হয় এবং অন্তরের প্রশান্তি আসে।

সকাল বেলার দোয়া ও জিকির সমূহ

সকালবেলা শুরুটা যদি হয় দোয়া ও জিকির দিয়ে তাহলে সেখানে থাকে আল্লাহর অশেষ রহমত ও বরকত। দোয়া ও জিকির করার সব থেকে উত্তম সময় হলো সকাল বেলা অর্থাৎ ফজরের পর থেকে সূর্য উঠা পর্যন্ত।প্রতিদিন যদি সকালবেলায় দোয়া ও জিকির করা হয় তাহলে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায় এবং সারাদিনের সকল বিপদ আপদ থেকে আল্লাহ রক্ষা করেন।নিচে সকালবেলার কিছু দোয়া ও জিকির সমূহ দেওয়া হলোঃ

ঘুম থেকে ওঠার দোয়া

আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নশুর।

অর্থ:সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য,আমাদের মৃত্যুর পর জীবিত করেছেন এবং তার কাছেই প্রত্যাবর্তন।

আয়াতুল কুরসিঃফজরের নামাজের পর ১বার আয়াতুল কুরসি পাঠ করা।সারাদিন সকল প্রকার বিপদ-আপদ থেকে আল্লাহ হেফাজত করে।

সূরা ইখলাস,সূরাফালাক,সূরা নাস তিনবার করে পাঠ করা।জিন,বদনজর ও সকল প্রকার বিপদ থেকে হেফাজত করে।

তাসবিহ
সুবহানাল্লাহ ৩৩
আলহামদুলিল্লাহ ৩৩
আল্লাহু আকবার ৩৪

ইস্তেগফারঃআস্তাগফিরুল্লাহ প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ বার করে পাঠ করা।

দরুদ শরীফঃআল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়িনা মুহাম্মাদ বেশি বেশি পাঠ করা।আল্লাহর রহমত নাযিল হয়।

প্রয়োজনীয় ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া ও আমল

আমাদের মহান আল্লাহতালা প্রতিটা সময়ের প্রতিটা কাজের জন্য দোয়া ও আমল দিয়েছেন।আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যেসব কাজ খাওয়া,হাঁটা চলা,ভ্রমণ,রোগ বালাই এগুলো অবিচ্ছেদ একটি অংশ।প্রতিটা কাজের জন্য আল্লাহ তাআলা যে দোয়াগুলো করতে বলেছেন সেগুলো করলে আল্লাহতালার রহমত লাভ হয় এবং সকল কাজে আল্লাহকে স্মরণ করা হয়।
প্রয়োজনীয়-১০-টি-গুরুত্বপূর্ণ-দোয়া-ও-আমল

১।ঘুমানোর আগের দোয়াঃ
বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমাতু ওয়া-আহইয়া
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনার নামে মৃত্যু বরণ করে এবং জীবিত হয়।

২।খাওয়ার আগের দোয়াঃ
বিসমিল্লাহ
অর্থঃআল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩।খাওয়ার পর এর দোয়াঃ
আলহামদুলিল্লাহ
অর্থঃ সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

৪।ঘর থেকে বাইরে বের হওয়ার দোয়াঃ
বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ
অর্থঃ আল্লাহর নামে বের হচ্ছি এবং তার উপর ভরসা করছি।

৫।ঘরের ভেতরে ঢোকার দোয়াঃ
বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা
অর্থঃআল্লাহর নামে প্রবেশ করলাম।

৬।টয়লেটে প্রবেশ করার দোয়াঃ
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল খুবসি ওয়াল খাবাইস
অর্থ হে আল্লাহ!অপবিত্র থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

৭।টয়লেট থেকে বের হওয়ার দোয়াঃ
গুফরানাকা
অর্থঃহে আল্লাহ!আপনার কাছে ক্ষমা চাই।

৮।নামাজের তাসবিহঃ
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহু আকবার
অর্থঃ আল্লাহ পবিত্র,সব প্রশংসা আল্লাহর, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।

৯।মাতা পিতার জন্য দোয়াঃ
রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা
অর্থঃ হে আল্লাহ! তারা যেমন আমাদের ছোটবেলায় লালন করেছেন,তেমনি তাদের প্রতি দয়া করুন।

১০।সন্তান লাভের দোয়াঃ
রাব্বি হাবলি মিনাস সালেহীন
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে নেক সন্তান দান করুন।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর প্রয়োজনীয় দোয়া ও আমল

মহান আল্লাহ তা'লা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্যই প্রয়োজনীয় দোয়া ও আমল শিখিয়ে দিয়েছেন।নিচে দোয়া ও আমলগুলো দেয়া হলোঃ

ফজর
  • আয়াতুল কুরসি ১ বার পাঠ করা 
  • সূরা ইখলাস,ফালাক,নাস তিনবার পাঠ করা
  • সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার,আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার,আল্লাহ আকবর ৩৪ বার
জোহর
  • আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম..... দোয়া পড়া 
  • আয়াতুল কুরসি একবার পাঠ করা
  • তাসবিহ(৩৩,৩৩,৩৪) বার 
  • নিজের মত দুয়া করা
আসর
  • আয়াতুল কুরসি ১ বার পাঠ করা
  • দুরুদ শরীফ ১০ বার পড়া
  • গুনাহ মাফের জন্য আল্লাহর কাছে বেসি বেসি দুয়া করা
মাগরিব 
  • আয়াতুল কুরসি ১ বার পাঠ করা
  • সূরা ইখলাস,ফালাক,নাস তিনবার পাঠ করা
  • আল্লাহুম্মা আজরনি মিনান্নার এই দোয়া ৭বার পড়া
এশা
  • আয়াতুল কুরসি ১ বার পাঠ করা
  • সূরা ইখলাস,ফালাক,নাস ৩ বার পাঠ করা
  • তাসবিহ(৩৩,৩৩,৩৪)বার পাঠ করা
  • দুরদ শরীফ পড়া 
  • ঘুমের দোয়া পরে ঘুমানো 

রাতের বেলা ঘুমানোর আগের গুরুত্বপূর্ণ দোয়া সমূহ

রাতের বেলায় ঘুমানোর আগে দোয়া পড়ে ঘুমালে আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে নিজে হেফাজতে রাখেন।নিচে দোয়া গুলো দেওয়া হলঃ

  •  আয়াতুল কুরসি ১ বার পাঠ করা।আয়াতুল কুরসি পাঠ করে রাতে ঘুমালে ফেরেশতারা সকাল পর্যন্ত সেই ব্যক্তির হেফাজত এ নিয়ে যেতে থাকে।
  • সূরা ইখলাস,ফালাক,নাস ৩ বার পাঠ করে হাতের মধ্যে ফু দিয়ে পা থেকে মাথা পর্যন্ত হাত বুলিয়ে দেওয়া।
  • তাসবিহ(৩৩,৩৩,৩৪)বার পাঠ করা
  • দুরদ শরীফ পড়া 
  • ঘুমের দোয়া (আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু ওয়া আহইয়া)পরে ঘুমানো

আল্লাহর রহমত লাভ করার বিশেষ আমল

মহান আল্লাহতা'লা মানুষ ও জিন জাতিকে সৃষ্টি করেছে একমাত্র তার ইবাদতের জন্য।আমাদের মূল উদ্দেশ্যই থাকা উচিত আল্লাহর রহমত লাভ করা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা।মহান আল্লাহতা'লা তার রহমত লাভ করা সানিধ্য আসার জন্য কতগুলো বিশেষ আমল শিখিয়ে দিয়েছেন আমল গুলো হলঃ

  • নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা আল্লাহর রহমত লাভের সবচেয়ে বড় মাধ্যম কারণ নামাজ পড়লে মানুষ গুনাহ থেকে দূরে থাকে এবং আল্লাহর কাছাকাছি আসে।
  • বেশি বেশি তওবা ও ইস্তেগফার পাঠ করা ।এতে গুনাহ মাফ হওয়ার সুযোগ থাকে এবং আল্লাহর রহমত লাভ করা যায়।
  • প্রতিদিন একটু একটু করে হলেও কোরআন তেলাওয়াত করার চেষ্টা করতে হবে।কারণ কোরআন তেলাওয়াত করার ফলে মনে একরকম প্রশান্তি আসে এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়।
  • আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা।
  • বেশি বেশি দান সদকা করা এবং সর্বদা চেষ্টা করতে হবে গোপনে দান সদকা করার।নিজের সমর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু পারা যায় করতে হবে।
  • নিজের আত্মীয়-স্বজনের সাথে সব সময় ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে এতে আল্লাহ তায়ালা খুশি হয়। মহান আল্লাহতায়ালা নিজে বলেছেন যে ব্যক্তি তার আত্মীয়-স্বজনের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছন্ন করবেন সে ব্যক্তি কখনো জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
  • বেশি বেশি দোয়া করা,তাসবিহ জিকির পাঠ করা এতে আল্লাহ স্মরণে সবসময় থাকা যায় এবং আল্লাহর রহমত থাকে সবসময়।

দৈনন্দিন জীবনের কিছু সুন্নত আমল

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কিছু সুন্নত রয়েছে যেগুলো অনুসরণ করা উচিত এতে আল্লাহ সন্তুষ্টি লাভ করা যায়।আর এই সুন্নতগুলো আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পালন করতেন।

দৈনন্দিন-জীবনের-কিছু-সুন্নত-আমল

সুন্নতগুলো হলোঃ

  • ঘুম থেকে উঠে ঘুমের দোয়া পড়া এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা মৃত্যু নামক ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলার জন্য।
  • পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মুখ মেসওয়াক করা
  • খাওয়ার শুরুর আগে বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া শুরু করা এবং খাবার শেষে আলহামদুলিল্লাহ পড়ে শুকরিয়া আদায় করা।
  • পরিচিত অপরিচিত যে কোন মুসলিমকে সালাম দেওয়া সুন্নত।
  • সবসময় ওযু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করতে হবে। 
  • ঘুমানোর আগে ওযু করে ঘুমের দোয়া পড়া এবং ডান ডান দিক হয়ে ঘুমানো সুন্নত।
  • শরীর,পোশাক,পরিচ্ছদ এবং পরিবেশ সবসময়ই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখার কারণ পরিষ্কার পরিছন্নতা হলো ঈমানের অঙ্গ।
  • হাঁচি উঠলে "আলহামদুলিল্লাহ" পড়া এবং কারো হাঁচি শুনলে "ইয়ারহামুকাল্লাহ" পড়া সুন্নত।
  • বেশি বেশি তাসবিহ ও জিকির পাঠ করা।

প্রতিদিনের জিকির ও তাসবিহ এর তালিকা

প্রতিদিন পাঠ করার জন্য কিছু জিকির ও তার দিয়ে এর তালিকা নিচে দেওয়া হলঃ
  • তাসবিহ(৩৩,৩৩,৩৪)বার পাঠ করা।
  • আস্তাগফিরুল্লাহ ১০০ বার পাঠ করা।
  • দুরুদ শরীফ(আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ)১০০ বার পড়া।
  • লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ(সা) ১০০ বার পড়া।
  • সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি ১০০ বার।
  • আল্লাহর বেশি বেশি করে পড়া।
  • বেশি বেশি আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা।
  • যে কোন কাজ বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা। 
  • সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম ১০০ বার পড়া।
  • তো কোন কঠিন বিপদের সময় লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পড়া।
  • রাব্বীগফিরলি পড়া।
  • ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম,বিরাহমাতিকা আস্তাগিস। 
  • আল্লাহুম্মা ইন্নি আসালুকাল জান্নাহ পাঠ করা।

 দৈনন্দিন জীবনে দোয়া,আমল ও জিকিরের ফজিলত

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দোয়া আমল ও জিকির আমাদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে এবং আমাদের স্মরণে সবসময় আল্লাহ থাকে।আল্লাহ তা'আলা বেশি বেশি দোয়া করতে বলেছেন কারণ দোয়ায় একমাত্র মাধ্যম যার মাধ্যমে আল্লাহ ভাগ্য পরিবর্তন করে দেয়।বেশি বেশি দোয়া,আমল,জিকির পাঠ করলে মহান আল্লাহতালা রহমত সবসময় থাকে।

গুনাহ মাফ হওয়ার সুযোগ থেকে এবং বেশি বেশি ইস্তেগফার পাঠ করার ফলে আল্লাহতালার রুজি রোজগারে বরকত দান করেন।এটা দুনিয়ার জীবনে যেমন শান্তি লাভ হয় তেমনি পরকালের জন্য পূর্ণ অর্জন করা যায়।

শেষ কথাঃপ্রতিদিনের আমল ও দোয়া

প্রতিদিনের আমল ও দোয়া মানুষের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয় এবং মানুষকে হেদায়েতের দিকে পরিচালিত করে।নিয়মিত যদি সকাল সন্ধ্যা তাসবিহ জিকির পাঠ করা যায় আল্লাহতালার সকল প্রকার বিপদ আপদ থেকে হেফাজত করে।আমল ও দোয়া করার ফলে মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী হওয়া যায় এবং আল্লাহ সকল প্রকার দুশ্চিন্তা দূর করেন।ছোট ছোট দোয়া ও আমল গুলো দুনিয়াতে যেমন শান্তি নিয়ে আসে আখেরাতের জন্য তা কল্যাণকর।

এজন্য আমরা মুসলিম হিসেবে আমাদের সর্বদা  উচিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি ছোট ছোট দোয়া ও আমল গুলো করা।আজকের আর্টিকেলে আমি প্রতিদিনের আমল ও দোয়া নিয়ে লিখেছি এমন আরো আর্টিকেল পড়তে চাইলে আমাকে কমেন্ট করে জানান এবং আমার ওয়েবসাইট"আর্টিকেল সুত্রা"নিয়মিত ভিজিট করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর্টিকেল সুত্রার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন।প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

comment url