ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান

ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান কোনটি এটি জানার জন্য আমরা ফেসবুক,ইউটিউব বা গুগলে সার্চ দিয়ে দেখি।কারন আমরা সবাই আমাদের নিজেদের সৌন্দর্যের ব্যাপারে অনেক বেশি সচেতন।আমরা সবাই চাই আমাদের ত্বক এর সৌন্দর্যতা বৃদ্ধি হোক।

ফর্সা-হওয়ার-সবচেয়ে-ভালো-সাবান

আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান কোনটি?কিভাবে সাবান ব্যবহার করে ত্বকের যত্ন নিবেন?আপনি যদি ত্বক ফর্সা করার জন্য সাবান ব্যবহার করতে চান তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য।

পেজ সূচিপত্র: ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান

ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান

ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান কোনটি এটি জানার আগে আমাদের জানা প্রয়োজন আমাদের ত্বকের জন্য কোন সাবানটি ভালো।কোন সাবানটি আমাদের ত্বকের সাথে যাই।ত্বক ফর্সা করার জন্য সবথেকে ভালো সাবান সেটাই যা ত্বককে গভীর থেকে একদম পরিষ্কার করে কিন্তু শুষ্ক করে না।ত্বকের জন্য সবচেয়ে উপকারী হল হারবাল সাবান ।

এছাড়া আরো কিছু সাবান রয়েছে যেগুলোর নাম আমরা জানবো।যে সাবানগুলো ত্বকে ব্যাবহার করার ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাই, ত্বক মসৃণ হয় এবং ত্বকের তৈলাক্ততা ভাবকে দূর করে দেয়। সাবান গুলো:Glutathione shop,Safron Goat Milk,Kojic Whitening Shop,Goat shop with Manuka Honey। এ সাবানগুলো ত্বকে ব্যবহার করার ফলে ত্বক অনেক উজ্জ্বল দেখায়।

ত্বক ফর্সাকারী জনপ্রিয় সাবান

ত্বক ফর্সাকারী জনপ্রিয় অনেক সাবান রয়েছে তবে এগুলো ব্যবহার করার আগে উচিত  কিভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক ভালো রাখা যায়।ত্বক উজ্জ্বল ও ফর্সা রাখতে ত্বক সবসময়ই পরিষ্কার রাখতে হবে। সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি ত্বকের অনেক ক্ষতি করে এজন্য ত্বককে এ ক্ষতি থেকে বাঁচাতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে এবং স্বাস্থ্যকর খাবার ও পানি পান করতে হবে।

এখন আমরা ত্বক ফর্সা করি জনপ্রিয় সাবানগুলো সম্পর্কে জানব।নিচের ত্বক ফর্সাকারী সাবানগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ

  • Glutathione shop:বর্তমান সময়ের বর্তমান সময়ের ত্বক ফর্সাকারী ভাইরাল সাবান গুলোর মধ্যে এটি একটি।এসব সাবান ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের মেলানিন এর পরিমাণ কমে যায় যার কারণে চেহারা উজ্জ্বলতা ফুটে ওঠে।
  • Kojic Whitening Shop: এ সাবানটি যদি ত্বকে ব্যবহার করা হয় ত্বকের পিগমেন্টেশন কমাতে সাহায্য করে।ত্বকের মেলানিন এর পরিমাণ কমায় এজন্য এটি ব্যবহার করার ফলে ত্বক ফর্সা দেখায়। 
  • Goat shop with Manuka Honey: যাদের ত্বকে চুলকানির সমস্যা তাদের জন্য এই সাবানটি খুব ভালো কাজ করে।এ সাবানের উপাদান মধু থাকায় ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর করে এবং তাকে বিভিন্ন সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে।
  • Saffron Goat Milk Soap:এই সাবানটি খুবই জনপ্রিয় একটি সাবান।এই সাবানটি জাফরান দিয়ে তৈরি। সাবানটি ব্যবহারের ফলে তো অনেক নরম ও মসৃণ হয়।এই সাবান ত্বকে ব্যবহার করার ফলে ত্বকের যে মৃত কোষ গুলো থাকে তা দূর করে এজন্য ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।

ফর্সা হওয়ার সাবান ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

>ফর্সা বা উজ্জ্বল ত্বকের জন্য শুধু সাবান ব্যবহার করলেই হয় না সঠিক নিয়মে ব্যবহার করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।ফর্সার সাবান ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই মুখ বা শরীরে যে জায়গায় সাবান ব্যবহার করব সে জায়গা আগে হালকা কুসুম গরম বা স্বাভাবিক ঠান্ডা পানি দিয়ে ভিজে নিতে হবে।সাবান সরাসরি ত্বকে না ঘষে আগে হাতে ফেনা করে নিয়ে তারপর ত্বকে লাগাতে হবে।
ফর্সা-হওয়ার-সাবান-ব্যবহারের-সঠিক-নিয়ম
তবে সাবান ব্যবহার করে বেশি ঘষঘষি করা যাবে না এতে তো অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।প্রতিদিন দুইবার করে এ সাবান ব্যবহার করলে ভালো একটা ফল পাওয়া যাই।তবে এর বেশি আবার ব্যবহার করা যাবে না এতে ভালো পরিবর্তে ক্ষতি হতে পারে।সাবান ব্যবহার করার পর সুন্দর মত ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।
সাবান ব্যবহার করার পর যদি ত্বকে মশ্চারাইজার ব্যবহার করা হয় তাহলে খুব ভালো একটা রেজাল্ট পাওয়া যায় । তবে দিনের বেলায় বাইরে বের হলে মুখে অবশ্যই সানস্ক্রিন লাগানো উচিত তা না হলে স্কিন কালো হয়ে যেতে পারে।সঠিক নিয়মে যদি দীর্ঘ সময় সাবান ব্যবহার করা হয় তাহলে আস্তে আস্তে ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল দেখায়।

ঘরোয়া ভাবে ত্বক ফর্সা করার উপায়

ঘরোয়া ভাবে যদি ত্বক ফর্সা করতে চাই তাহলে সবচেয়ে যে বেশি উপকারটা হয় সেটা হল এতে কোন ক্ষতিকর উপাদান থাকে না যা ত্বককে সরাসরি ক্ষতি করতে পারে।ত্বকের সুন্দর ও ভালো রাখার প্রথম কাজ হল সবসময় শরীর এবং মুখ পরিষ্কার রাখা।হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে যদি মুখ ধোয়া যায় এতে ত্বকের যে ময়লা গুলো থাকে তা পরিষ্কার হয়ে যায়।

প্রত্যেক সপ্তাহে অন্তত দুইবার বেসন এবং দুধের ফেসপ্যাক মুখে ব্যবহার করা উচিত এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।সাথে কিছু পরিমাণ যদি হলুদ মেশানো যায় এটি মুখে ব্যবহার করলে মুখের কালচে ভাব দূর হয়। ত্বকের প্রতিনিয়ত এলোভেরা জেল ব্যবহার করা দরকার কারণ এলোভেরা জেল ত্বককে ঠান্ডা এবং স্বাস্থ্যজ্জ্বল রাখে।

আবার ত্বকে নরম ও মসৃণ রাখতে মধু ব্যবহার করা উচিত।চিনি ও মধু দিয়ে তৈরি স্কার্ভ নিয়মিত ত্বকে ব্যবহার করলে মৃত কোষগুলো দূর হয় উজ্জ্বল দেখায়। এসব রেমিডি ব্যবহার করার পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে এটাতো ভিতর থেকে গ্লো করবে।পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।

রূপচর্চা করার জন্য কাঁচা হলুদের সাবান 

কাঁচা হলুদ প্রাকৃতিক উপাদান যার রূপচর্চায় খুব বেশি ব্যবহৃত হয়।হলুদের মধ্যে যেসব উপাদান থাকে তা ত্বকের সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে।কাঁচা হলুদের সাবান ব্যবহার করলে মুখে থাকা ব্রণ করে পরিমাণ অনেক কমিয়ে দেয় এবং নিয়মিত যদি ব্যবহার করা যায় তাহলে ত্বকের মধ্যে থাকা কালচে ভাব দূর করে।কাঁচা হলুদের সাবান যদি ত্বকে ব্যবহার করা যায় ত্বকের মধ্যে থাকা মৃত কোষ গুলোকে পরিষ্কার করে তাকে উজ্জ্বল করে।যাদের তো অনেক বেশি সেনসিটিভ তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী।

আরো পড়ুনঃ৫০ টাকায় ২৫ টি ব্যবসার আইডিয়া

আবার হলুদ প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় এর তেমন কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ত্বকের মধ্যে পড়ে না।আবার হলুদের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক গুণগুলো ত্বককে উজ্জ্বল ও সতেজ দেখায়।প্রতিদিনের রূপচর্চায় কাঁচা হলুদের সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে।কেমিক্যাল যুক্ত সাবান ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি ব্যবহার করা তাদের জন্য বেশি উপকারী।নিয়মিত ধৈর্য সহকারে ব্যবহার করলে ত্বকের ফলাফল পাওয়া যাবে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য নিম পাতার সাবান 

ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান গুলোর মধ্যে নিম পাতা দিয়ে তৈরি সাবান একদম প্রাকৃতিক যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।নিমের মধ্যে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল কিছু উপাদান থাকে যা ত্বকের মধ্যে থাকা জীবাণুগুলোকে ধ্বংস করে দেই।নিম পাতা দিয়ে তৈরি সাবান ব্যবহার করলে মুখে ব্রণ ও ফুসকুড়ির প্রভাব কমে যায়।নিয়মিত যদি নিমপাতা দিয়ে তৈরি সাবান ব্যবহার করা হয়। তাহলে মুখের মধ্যে থাকা তৈলাক্ততা ভাব অনেক কমে যায় ফলে ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।নিম পাতা প্রাকৃতিক উপাদান হয় এসব যদি মুখে ব্যবহার করা হয় তাহলে এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোন আশঙ্কা থাকে না।নিয়মিত যদি নিমপাতা দিয়ে তৈরি সাবান ব্যবহার করা যায় তাহলে ত্বক ভিতর থেকে স্বাস্থ্যজ্জ্বল হবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

ফর্সা হওয়ার জন্য মুলতানি মাটির ব্যবহার

মুলতানি মাটি অনেক আগে থেকেই রূপচর্চার জন্য ব্যবহার হয়ে যাচ্ছে।মুলতানি মাটি ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকের গভীরে যেসব ময়লা থাকে এবং অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব শোষণ করে নেয়।নিয়মিত মুখে ব্যবহার করলে ফেস একদম ক্লিন দেখায়।মুলতানি মাটি ত্বকের মধ্যে থাকা মৃত কোষগুলোকে দূর করে এবং ব্রণ ও মুখের দাগ কমাতে সাহায্য করে। মুলতানি মাটি ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বক ঠান্ডা থাকে।সপ্তাহে অন্তত এক থেকে দুইবার মুখে ব্যবহার করলেই যথেষ্ট অতিরিক্ত ব্যবহার করলে আবার ত্বক।

ফর্সা-হওয়ার-জন্য-মুলতানি-মাটির-ব্যবহার
শুষ্ক দেখায়  >এজন্য মুলতানি মাটি ব্যবহার করার পর মুখে মশ্চারাইজার লাগানো উচিত।মুলতানি মাটি যদি দুধ বা গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করা যায় তাহলে খুব ভালো একটা ইফেক্ট ফেলে।আবার মুলতানি মাটি প্রাকৃতিক হয় ক্ষতি হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই এবং এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও অনেক কতবে নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে তাহলে ত্বক উজ্জ্বল হবে।

ছেলে ও মেয়েদের জন্য উপযোগী ফর্সা হওয়ার সাবান

ছেলে ও মেয়ে উভয়ের ত্বকের ধরণ আলাদা হলেও সবাই কিন্তু নিজের অনেক বেশি সচেতন।সবাই নিজের ত্বকে ফর্সা ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল দেখাতে চাই।ত্বক ফর্সাকারি সাবান বলতে আমরা সাধারণত সব সাবানকে বোঝায় যেগুলো  ব্যবহার করার ফলে ত্বক পরিষ্কার হয় ও ত্বকের  উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। ত্বক ফর্সাকারী সাবান সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ব্যবহার উপযোগী।সামান্য ব্যবহার করলে ত্বকের ভেতরে থাকা ময়লা হল দূর হয়ে যায় এবং ভেতর থেকে গ্লো করে।ফর্সা হওয়ার সাবান হিসেবে সবচেয়ে উপযোগী হল প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি সাবানগুলো।
>
কারণ এ সাবান ব্যবহার করলে একদম ত্বকের ভিতর থেকে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় এবং এগুলো কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকেনা এজন্য তোকে কোন ক্ষতি হয়।ত্বক ফর্সাকারী যে সাবান গুলো রয়েছে রয়েছে সেগুলো ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্যই উপযোগী কারণ সকলের ত্বকের উপর ভিত্তি করে এই সাবানগুলো তৈরি করা হয়েছে।তবে ত্বক ফর্সা কারি সাবানগুলোর বিষয়ে একটু খেয়াল রাখতে হবে যেন বেশি কেমিক্যালযুক্ত না হয়। কারণ বেশি কেমিকাল ত্বকের ক্ষতি করে থাকে।শুধু সাবান ব্যবহার করলেই যে
এটা ফর্সা হবে এমনটা না পাশাপাশি আমাদের সচেতন হতে হবে।তখন সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। খুব বেশি ব্যবহার করা যাবে না দিনে অন্তত দুইবার আর ব্যবহার করার সময়  ত্বকে  বেশি ঘসাঘসি করা যাবে না এতে ত্বক
জ্বালাপোড়া করতে পারে।মুখে সাবান ব্যবহার করার পর মশ্চারাইজার লাগাতে হবে এতে ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়।

ত্বক ফর্সা করার জন্য সাবান বাছাইয়ের সেরা টিপস

ত্বক ফর্সা করার জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের সাবান ব্যবহার করে থাকি। তবে সব সমান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কিছু টিপস মেনে চলা উচিত। নিজে এই টিপস গুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো
  • ১। ত্বকের ধরন অনুযায়ী সাবান বাছাই করতে হবে। আগে ত্বকের ধরনের বুঝতে হবে যেহেতু শুষ্ক নাকি সংবেদনশীল।
  • ২। ত্বকে ব্যবহার করার জন্য হারবাল বা প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি সাবানগুলো ব্যবহার করতে হবে।জেমনঃমুলতানি মাটি, নিমপাতা,কাঁচা হলুদ, চন্দন ও অ্যালোভেরা দিয়ে তৈরি সাবান।
  • ৩। যেসব সাবানে কেমিকাল বা পারফিউম এর পরিমাণ কম থাকে সেসব খাবার ব্যবহার করা উচিত যেন ত্বকের উপর কোন প্রভাব না করে।
  • ৪। যেসব সাবানের পিএইচ ব্যালেন্স ত্বকের সাথে মিলবে সে সব সময় ব্যবহার করা উচিত এতে ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকে।
  • ৫। যেসব সাবানে গ্লিসারিন বা মশ্চারাইজিং উপাদান থাকবে সেই সব সাবান থেকে ব্যবহার করতে হবে কারণ এসব সবার ব্যবহার করলে ত্বক অনেক নরম থাকে এবং গ্লো করে।
  • ৬। এই সাবানগুলো ব্যবহারের পূর্বে অল্প একটু জায়গায় ব্যবহার করে দেখতে হবে যে ত্বকে কোন ইফেক্ট ফেলছে কিনা।
  • ৭। প্রতিদিন দুইবারের বেশি সাবান ব্যবহার করা যাবে না, সাবান ত্বকে বেশি ঘষাঘষি করলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
  • ৮। সাবান অবশ্যই নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে তাহলে স্বাভাবিকভাবে ত্বক উজ্জ্বল এবং ফর্সা হবে।
  • ৯। সাবান ব্যবহার করার পর মুখে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা দরকার এতে ত্বক ভালো থাকে।
  • ১০। মুখে থাকা ব্রণ এবং দাগের পরিমাণ কমাতে সাবান ব্যবহার করার পাশাপাশি ত্বক পরিছন্ন রাখতে হবে এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

শেষ কথা:ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান

আজকের আর্টিকেলে ত্বক ফর্সা হওয়ার সবচেয়ে ভালো সাবান, সাবান ব্যবহার করার সঠিক নিয়ম এগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ত্বক ফর্সা করার জন্য সবচেয়ে যে ভালো সাবান এগুলো আসলে ক্ষণস্থায়ী একটা বিষয়।প্রাকৃতিকভাবে দীর্ঘস্থায়ী ত্বক ফর্সা করতে প্রাকৃতিক সব উপাদান দিয়ে তৈরি সাবান ব্যবহার করা উচিত বা প্রাকৃতিক উপাদান গুলো ত্বকের জন্য ব্যবহার করা দরকার।

এতে ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল ও সতেজ দেখাবে।আমরা তো সবাই চাই যে আমাদের দেখতে সুন্দর লাগুক আমাদের চেহারাটা উজ্জ্বল দেখাক। প্রাকৃতিক উপায়ে যেহেতু দীর্ঘ সময় লাগে সেজন্য আমরা সবাই অল্প সময়ে যেন আমাদের ত্বক উজ্জ্বল ফর্সা দেখায় এজন্য ত্বক ফর্সাকারি সাবান গুলো ব্যবহার করে থাকি।

আমরা সবাই নিজের ভালো বুঝে থাকি আমরা যেটা ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব সেটাই ব্যবহার করা উচিত।আজকের আর্টিকেলটি আপনাদের কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং এমন আরো স্কিন কেয়ার সম্পর্কিত তথ্য পেতে"আর্টিকেল সুত্রা"ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন।

  • এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

    পরবর্তী পোস্ট দেখুন
    এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
    মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

    আর্টিকেল সুত্রার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন।প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

    comment url