ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে?তা জানব আমরা আজকের আর্টিকেল এর মাধ্যমে।
একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হতে গেলে সর্বপ্রথম কিছু গুন থাকার প্রয়োজন।ফ্যাশন
ডিজাইনার মানেই তার মধ্যে রুচিশীলতার পরিচয় থাকতে হবে।
ফ্যাশন ডিজাইন মানে যেখানে নিজের সৃজনশীলতা ফুটে ওঠে।ফ্যাশন
ডিজাইনার হতে গেলে অনেকগুলো গুণ প্রয়োজন তার মধ্যে একটি হলো ক্রিয়েটিভিটি।ফ্যাশন
ডিজাইন মানে হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটি।
পোস্ট সূচিপত্র:ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে?যারা ফ্যাশন নিয়ে আগ্রহী তাদের অনেকের
মনের প্রশ্ন। ফ্যাশন ডিজাইন হতে হলে সর্বপ্রথম ফ্যাশনের প্রতি নিজের গভীর মনোভাব
এবং সৃজনশীলতা থাকতে হবে।কারণ ফ্যাশন মানেই হলো নিত্যনতুন শিল্পের ছোঁয়া।যেখানে
নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে নতুনত্ব আনা হয়।
ডিজাইনার হতে হলে অবশ্যই তাকে কাপড়ের
রং,কাটিং,কাপড় কোয়ালিটি,ডিজাইন,ট্রেন্ড সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে
হবে।এগুলোর পাশাপাশি তাকে ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে।ফ্যাশন
ডিজাইন নিয়ে পড়াশোনার জন্য বাংলাদেশে অনেক প্রতিষ্ঠান
রয়েছে।পাশাপাশি অনলাইন ভিত্তিক অনেক কোর্স আছে যেগুলা থেকে ফ্যাশন ডিজাইন
সম্পর্কে অনেক ধারনা পাওয়া যাবে।
ফ্যাশন ডিজাইন কি
মানুষ প্রতিনিয়ত যেসব পোশাক,গয়না,জুতা ও অন্যান্য ফ্যাশন সামগ্রী ব্যাবহার
করে সেগুলোকে ট্রেন্ড এর সাথে মিলিয়ে নতুন ডিজাইন করে স্ট্যলিশসরূপ
দেয়াকে ফ্যাশন ডিজাইন বলে।ফ্যাশন ডিজাইন মানে হল যেখানে নিজের
সৃজনশীলতা,রুচি ও আধুনিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটবে।ফ্যাশন ডিজাইন কে শিল্প বলা
যাই।ফ্যাশন ডিজাইন এর মাদ্ধমে পোশাক আত্মপরিচয় এর প্রতীক হয়ে ওঠে।
একজন ফ্যাশন ডিজাইনার সবসময় সময়ের সাথে ট্রেন্ড অনুযায়ী মানুষের চাহিদাকে মিল
রেখে নিত্য নতুন ডিজাইন তৈরি করেন।একজন ফ্যাশন ডিজাইনার যত বেশি সৃজনশীল প্রতিভার
অধিকারি হবে কল্পনা শক্তি সুন্দর হবে তার ডিজাইন তত বেশি সুন্দর ও নিখুত
হবে।ফ্যাশন ডিজাইন বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিল্পে রূপান্তরিত হয়েছে।
ফ্যাশন ডিজাইনের সর্বপ্রথম ধাপ কি
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে?ফ্যাশন ডিজাইনের সর্বপ্রথম ধাপ হল আইডিয়া ও
অনুপ্রেরনা।একজন ফ্যাশন ডিজাইনারকে তার কাজ শুরু করতে হই তার চারপাশকে নিখুত ভাবে
পর্যবেক্ষণের মাদ্ধমে।কারন সংস্কৃতি,জীবনধারা,বিভিন্ন ধরনের উৎসব থেকেও নতুন কোন
ডিজাইনের ধারনা আসতে পারে।এইভাবে একজন ডিজাইনার তার কল্পনা থেক তৈরি চিন্তা
গুলোকে সাজান ।
কোন ডিজাইনের ড্রেস তৈরি করবেন তা সিলেক্ট করেন।ট্রেন্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য
দিতে হবে।কারন মানুষ বর্তমানে পোশাক পরে ট্রেন্ডকে ফলো করে।ডিজাইনের ওপর
অনুপ্রেরনা ও নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে স্পষ্ট ধারনা তৈরি করাই ফ্যাশন
ডিজাইনের সর্বপ্রথম ধাপ এর মূল লক্ষ্য।ডিজাইন সম্পর্কে যদি সঠিক ধারণা না থাকে
তাহলে পূর্ণাঙ্গ কোন ডিজাইনই তৈরি করা সম্ভব নয়।
একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হতে কি কি দক্ষতা প্রয়োজন
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে?ফ্যাশন ডিজাইন মানেই হলো সৃজনশীলতার
বহিঃপ্রকাশ।আপনি যদি একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে সৃজনশীল
প্রতিভার অধিকারী হতে হবে।আপনি যত বেশি সৃজনশীল হবেন আপনার কল্পনা শক্তি যত বেশি
সুন্দর হবে আপনার কাজ তত বেশি সুন্দর এবং নিখুত হবে আপনার ডিজাইন তত বেশি সুন্দর
হবে।আপনাকে আরো একটি বিষয়ে এক্সপার্ট হতে হবে সেটা হলো সেলাই।কারণ ফ্যাশন
ডিজাইন মানে আপনাকে কোন কিছু বানাতে হবে ।
আর সেটা বানাতে গেলে অবশ্যই আপনাকে সেলাই জানতে হবে এজন্য আপনাকে অবশ্যই অনেক
বেশি দক্ষ হওয়া প্রয়োজন।এখন যদি আমরা ডিজাইন নিয়ে বলি তাহলে ফ্যাশন ডিজাইন হতে
গেলে আপনাকে আগে ভালো ডিজাইনার হতে হবে আপনি আপনার চিন্তা কল্পনা যত সুন্দর
করতে পারবেন আপনি আপনার কাজে মধ্যে ততো সুন্দর করে আপনার ডিজাইনকে ফুটিয়ে
তুলতে পারবেন।আপনি তত বেশি ভালো ডিজাইনার হবেন।আপনার মধ্যে ইউনিক চিন্তাভাবনা
থাকতে হবে।
কিভাবে একটা জিনিসকে সুন্দরভাবে আকর্ষণীয় করা যাই।কালার কম্বিনেশন নিয়ে
স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে কোন কালারের সাথে কোন কালার দিলে ফুটিয়ে তোলা যাবে এবং
আপনার কাজের মধ্যে নতুনত্ব আসবে।আধুনিকতা এবং ট্রেন্ড এর সাথে তাল মিলিয়ে
আপনাকে আপনার কাজের প্রতি দক্ষ হতে হবে এবং আপনার কাজে সব সময় আধুনিকতার
প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তুলতে হবে।
ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার জন্য যে যোগ্যতা প্রয়োজন
ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি সেটি হল সৃজনশীল
মনোভাব। নিজের মধ্যে আগে সৃজনশীলতা থাকতে হবে।রঙের প্রতি কাপড় নতুন নতুন ডিজাইন
নিয়ে আগ্রহ থাকতে হবে নিত্য নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ড সম্পর্কে আগ্রহী
হতে হবে।সাধারণত এসএসসি বা সম্মান পাশ করলেই ফ্যাশন ডিজাইন করছে ভর্তি হওয়া
যায়।তবে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা এইচএসসি পাশ এ ফ্যাশন ডিজাইন
কোর্সে ভর্তি নেয়।আপনি যদি চান ডিপ্লোমা করছে ভর্তি হয়ে সেখানে ফ্যাশন ডিজাইন
নিয়ে
পড়াশোনা করতে পারেন।
যদি আপনি করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে আপনার হাতের কাজ ভালো হতে হবে।আবার ডিজাইন
শেখার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় সেগুলো জানতে হবে।যেমনঃএডোবি
ফটোশপ,এডোবি ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।আপনি যেয় বিভাগ থেকে পড়াশোনা করেন না কেন
ফ্যাশন ডিজাইন পড়াশোনা করতে পারবেন।
ফ্যাশন ডিজাইনের জন্য সবচেয়ে ভালো সাবজেক্ট
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে?ফ্যাশন ডিজাইনের জন্য নির্দিষ্ট কোন
সাবজেক্ট নেই যে এই সাবজেক্টটি ডিজাইনার হতে হলে করতে হবে।তবে আর্ট চারুকলা
ফ্যাশন ডিজাইন বা গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে যদি ধারণা থাকে তাহলে ফ্যাশন
ডিজাইনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সুবিধা হয়।যারা বিজ্ঞান বা মানবিক বিভাগের
শিক্ষার্থী তারাও ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে পড়াশোনা করতে পারেন।
তারাও ফ্যাশন ডিজাইনার হতে পারেন।ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়ার জন্য সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেটি সেটি হল ফ্যাশন ডিজাইন সম্পর্কে ধারণা থাকা ফ্যাশন
ডিজাইনের প্রতি আগ্রহ শেখার মানসিকতা নিজের ভেতরে কল্পনা শক্তি। এমন অনেক ফ্যাশন
ডিজাইনার আছেন যাদের সাবজেক্টের সাথে ফ্যাশন ডিজাইনের কোন মিল ছিল না কিন্তু
তাদের শেখার আগ্রহ মানসিকতা ছিল।
তাদের সৃজনশীল প্রতিভা শক্তি তাদেরকে দক্ষ অভিজ্ঞ করে তুলেছে এ জন্য সাবজেক্ট এর
চেয়ে দক্ষতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নিজের কল্পনা শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে
এবং নিত্যনতুন ডিজাইন তৈরি করতে হবে এবং তা নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে।যত
বেশি সৃজনশীল তোকে কাজে লাগানো যাবে তত বেশি দক্ষ অভিজ্ঞ হওয়া যাবে।
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কেমন খরচ হবে
ফ্যাশন ডিজাইন পড়ার ক্ষেত্রে খরচের ভিন্নতা রয়েছে কারণ একেক জায়গায় খরচ
একেকরকম। আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে ফ্যাশন ডিজাইনার কোর্স করতে চান তাহলে একরকম খরচ
হবে আবার আপনি দেশের বাইরে গিয়ে ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে কোর্স করতে চান তাহলে
খরচ বেশি পড়বে।আবার বাংলাদেশের মধ্যেও আলাদা আলাদা ভাগ রয়েছে।
আপনি যদি সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে নিজের নিয়ে কোর্স করেন তাহলে মোটামুটি ২-৩
লাখ টাকার মত খরচ হবে আর যদি আপনি কোন বেসরকারি।প্রতিষ্ঠান থেকে করেন তাহলে
৩-৭লাখ টাকা খরচ হবে।আবার আপনি প্রতিষ্ঠান কোম্পানি থেকে এই কোর্স করে থাকেন
তাহলে এবার আপনার খরচ অনেক কম হবে প্রায় ৫ থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে আপনি কোর্স
করতে পারবেন।
তবে একটা বিষয় রয়েছে আপনি যদি দেশের বাইরে গিয়ে ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে কোর্স
করেন তাহলে আপনি যদি আবার দেশে আসেন আপনার অনেক বেশি ডিমান্ড হবে।আপনার যে কোন
প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিতে অনেক বেশি ডিমান্ড থাকবে। কারণ আমাদের দেশে ফ্যাশন
ডিজাইন এর চাহিদা অনেক বেশি এজন্য আপনি যদি দেশের বাইরে গিয়ে ফ্যাশন ডিজাইন
নিয়ে কোন কোর্স বা ডিপ্লোম অনার্স সম্পন্ন করতে পারেন তাহলে আপনার অনেক ডিমান্ড
হবে।
একজন ফ্যাশন ডিজাইনার এর মাসিক বেতন কত
বর্তমানে ফ্যাশন ডিজাইন খুবই জনপ্রিয় একটি পেশা হয়ে উঠেছে।বর্তমানে যতগুলো
ডিমান্ড ফুল পেশা রয়েছে তার মধ্যে ফ্যাশন ডিজাইন একটি।একজন ফ্যাশন ডিজাইনার এর
মাসিক বেতন কত হবে বাসে কত বেতন পাবে তার সম্পূর্ণ নির্ভর করে এসে কোন জায়গায়
কাজ করছে।যদি কোন বড় কোম্পানির ফ্যাশন ডিজাইনার বা কোন মডেলের ফ্যাশন ডিজাইনার
হয়ে থাকে।
তাহলে বেতন ৩০ হাজার থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকার কাছাকাছি হয়ে থাকে। অভিজ্ঞতার উপর
নির্ভর করে আস্তে আস্তে এই বেতনের পরিমাণ বাড়তে থাকবে আর যদি কোন সাধারণ
কোম্পানির ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করে থাকে তাহলে শুরুতে ১৫ হাজার থেকে ত্রিশ
হাজার টাকা পর্যন্ত সে বেতন পাবে।অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে বেতন বৃদ্ধি পাবে।
কেউ যদি বাইরের দেশ যেমন আমেরিকা,ইতালি দেশের ডিজাইনার হিসেবে কাজ করে থাকে তাহলে
বেতন হবে ৪০ হাজার থেকে ৮০ হাজার ডলার।পরবর্তীতে অভিজ্ঞতা যত বৃদ্ধি পাবে এই
ডলারের পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে।আপনি আপনার কাজের মধ্যে আপনি আপনার কাজের মধ্যে যত
বেশি আপনার সৃজনশীলতাকে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন তত বেশি আপনি অভিজ্ঞ হবেন।
একজন ফ্যাশন ডিজাইনার এর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে
একজন ফ্যাশন ডিজাইনার এর ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে আপনারা এতক্ষণ বুঝতে পেরেছেন।কারণ
ডিজাইন একটি ডিমান্ড ফুল পেশা।আপনি যদি ভালো ভাবে ফ্যাশান ডিজাইন করতে পারেন বা
ডিজাইনের প্রতি যদি আপনার অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আপনাকে আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা
করতে হবে না যে কি হবে।আপনি আপনার নিজের আত্মবিশ্বাস রাখবেন।আপনার ভবিষ্যৎ
অনেক উজ্জ্বল।আপনি যদি সঠিকভাবে আপনার কাজ করেন, আপনার সৃজনশীলতাকে আপনার কল্পনা
শক্তিকে।
আপনার কাজের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন অবশ্যই আপনি ভালো কিছু করবেন।আপনি যদি ভালো
অভিজ্ঞ হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি ভালো কোন কোম্পানিতেই ফ্যাশন ডিজাইন হিসেবে
কাজ করতে পারবেন।আপনি ভালো অংকে একটা মাসিক বেতন পাবেন।ফ্যাশন ডিজাইন এর চাহিদা
কখনো কমবে না কারণ অনেক বড় বড় মডেল আছেন বা অনেক বড় বড় কোম্পানি
আছে যাদের সব সময় একজন দক্ষ ফ্যাশন ডিজাইনার প্রয়োজন।এটা চাহিদা সব সময়
থাকবেই।
আপনি যদি কোন বড় মডেল বা সেলিব্রেটির ফ্যাশন ডিজাইনার হতে পারেন তাহলে আপনার
ভবিষ্যৎ নিয়ে আর কোন চিন্তায় থাকবে না কারণ আপনি আপনার কাজকে যত বেশি আপডেট ও
স্টাইলিশ করতে পারবেন আপনার কাজের প্রতি তত বেশি আগ্রহী হবে। কারণ মডেলরা সব সময়
স্টাইলিশ ও তাদের ড্রেস এর মধ্যে নতুনত্ব চাই।
শেষ কথাঃ ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে
ফ্যাশন ডিজাইনার হতে হলে কি করতে হবে, ফ্যাশন ডিজাইন কি ফ্যাশন ডিজাইন এর ভবিষ্যৎ
কেমন এগুলো সম্পর্কের সম্পূর্ণ ধারণায় আর্টিকেলটি পড়ে বুঝতে পেরেছেন।ফ্যাশন
ডিজাইনার হতে হলে কি কি প্রয়োজন তার সম্পূর্ণ সুন্দরভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
ফ্যাশন ডিজাইন মানেই চিন্তাভাবনার বহিঃপ্রকাশ। আপনাকে আপনার কাজের মধ্যে
আপনার সৃজনশীলতাকে ফুটিয়ে তুলতে হবে। আপনার মধ্যে নতুন কিছু করার প্রতিভা
থাকতে হবে।
ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়ার জন্য যা যা দরকার তা আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করা
হয়েছে।এগুলো যদিআপনি পরিপূর্ণভাবে মেনে চলতে পারেন অবশ্যই আপনি একজন ভালো
ফ্যাশন ডিজাইনার হবেন।ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে আজকের এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো অবশ্যই
কমেন্ট করে জানাবেন এবং প্রতিনিয়ত এমন ধরনের সব আর্টিকেল পড়তে
আর্টিকেল সুত্রা ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন।
আর্টিকেল সুত্রার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন।প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়
comment url