ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে আয় করা যায়

  ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে আয় করা যায় এ কথাটি শুনেই আমাদের মন অন্যরকম প্রশ্ন জেগে ওঠে। ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমাদের সবার মনেই নানান কৌতূহল রয়েছে যে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায়।

ফ্রিল্যান্সিং-করে-কিভাবে-আয়-করা-যায়
চলুন আজকের আর্টিকেলে আমরা জানবো কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায়।বর্তমান তরুণ সমাজের পছন্দের এবং আগ্রহের একটি সেক্টর হল ফ্রিল্যান্সিং।কারণ আমরা অনেকেই মনে করি ফ্রিল্যান্সিং মানেই লাখ লাখ টাকা ইনকাম।

পোস্ট সূচিপত্র:ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে আয় করা যায়

ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে আয় করা যায়

ফ্রিল্যান্সিং মানেই হল মুক্ত পেশা।যেখানে আপনার ধরা বাধা কোন নিয়ম নেই আপনি আপনার ইচ্ছামত কাজ করতে পারবেন।শুধু আপনি আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগাবেন এবং সেই দক্ষতার মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে খুব সহজে টাকা উপার্জন করবেন এটাই হল ফ্রিল্যান্সিং।তবে ফ্রিল্যান্সিং অনেক ধরনের কাজ রয়েছে আপনাকে আগে বুঝতে হবে আপনি কোন কাজে বেশি পারদর্শী বা আপনি কোন কাজটা করতে পারবেন।

এজন্য International(Fiver,upwork,People Per Hour) বা লোকাল মার্কেটপ্লেস এ কাজ করার জন্য আপনি কি কি কাজে দক্ষ সে অনুযায়ী একটি সুন্দর প্রোফাইল তৈরি করতে হবে।প্রথমে হয়তোবা খুব ভালো একটা আর্নিং আসবে না কিন্তু ধৈর্য হারা হওয়া যাবে না।প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখতে হবে কাজে ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে হবে।যেসব ক্লাইন্টের সাথে কাজ করবেন তাদের সাথে অনেক ভদ্র হবেন এবং কাজ যথারীতি সময়মতো দেওয়ার চেষ্টা করবেন।তাহলে দেখা যাবে পুনরায় তারা আবার।

আপনাকে কাজ দিবে।এভাবে যত আপনি আপনার কাজের পারফরম্যান্স ভালো দেখাতে পারবেন আপনার দক্ষতা যত বাড়বে আপনার ইনকাম তত বেশি বাড়তে থাকবে।এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনার উপর তবে ধৈর্য ধরতে হবে একদিনেই সবকিছু হবে না আস্তে আস্তে ইনকামের পরিমাণ বাড়বে।

ফ্রিল্যান্সিং কি

ফ্রিল্যান্সিং হল অনলাইনে কাজ করে টাকা উপার্জন করার একটি মাধ্যম। ফ্রিল্যান্সিং হলো একটি মুক্ত পেশা।ফ্রিল্যান্সিং করে আপনি টাকা উপার্জন করতে পারবেন।অনেকটা চাকরির মতো হলেও একটু ভিন্নতা রয়েছে এখানে যে এখানে আপনার টাইমের কোন লিমিট নাই আপনি আপনার স্বাধীন মত যখন ইচ্ছা কাজ করতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সিং এ ক্লায়েন্ট বা বায়ার আপনাকে কাজ দিবে।কাজ আপনি ঘন্টা ভিত্তিক বা সাপ্তাহিক বা মান্থলি হিসেবেও করতে পারবেন।ফ্রিল্যান্সিংকে বলা যায় একরকম ব্যবসার মতো এখানে আপনি আপনার দক্ষতাকে বিক্রি করে টাকা ইনকাম করবেন। আপনি যদি অনেক বেশি দক্ষ হয়ে থাকেন ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে তাহলে আপনি খুবই ভালো পরিমাণ একটা ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি কেন ফ্রিল্যান্সিং শিখবেন

বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তির অনেক উন্নয়ন হয়েছে আর এই প্রযুক্তির উন্নয়ন এর সাথে সাথে আমাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে।বর্তমানে অনেক বড় বড় কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান যারা তাদের অনেক কাজ অনলাইন এর মাধ্যমে করছে এজন্য তারা অভিজ্ঞ লোক নেই।ফ্রিল্যান্সিং বর্তমান তরুণ তরুণীদের খুবই পছন্দের একটি এবং আগ্রহের পেশা।কারণ এখানে তারা ঘরে বসেই পড়াশোনার পাশাপাশি এ কাজ করতে পারে।অনেকেই প্রফেশনাল ভাবে নিয়ে কাজ করছে কারণ এখানে কোন।


নির্দিষ্ট সময় ধরে কাজের ঝামেলা নেই এবং উপার্জনের ভালো।আবার যে কোন জায়গায় থেকে কাজ করা যাই।বর্তমানে চাকরির বাজার খুবই খারাপ কারণ অনেক পড়াশোনা করেও চাকরির পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে অনেকে হঠাৎ আর সেখান থেকেই অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর দিকে ঝুঁকছে।অনেকে আছে যারা চাকরি পাশাপাশি পার্ট টাইম হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করছে।ফ্রিল্যান্সিং হলে এমন একটা স্কিল যেটা আপনি কাজে লাগালে অবশ্যই কাজে লাগবে এটা কখনো বিফলে যাবে না।
আপনি-কেন-ফ্রিল্যান্সিং-শিখবেন
ফ্রিল্যান্সিং এর মূল সুবিধাই হল আপনি ঘরে বসে কাজ করতে পারবেন বাইরে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।যে কোন জায়গা থেকেই আপনি আপনার কাজ করতে পারবেন আবার সময়ের বিষয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে না।আপনি আপনার ক্লায়েন্টের দেয়া সময় অনুযায়ী কাজ করবেন।আপনাকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করবে।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কি ধরনের কাজ করতে পারবেন

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজের কোন শেষ নেই আপনি যদি দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ খুব সহজে পেয়ে যাবেন।আপনি যদি একটু সময় নিয়ে ঘাটাঘাটি করে থাকেন তাহলে দেখবেন অনেক ধরনের কাজ আছে।আপনার দক্ষতা অনুযায়ী যে কাজগুলো আপনার সাথে মিলবে সে অনুযায়ী আপনি কাজ করতে পার পারেন।নিচে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে যে কাজগুলো করা যায় সেগুলো দেয়া হলো।এখন আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী অর্থাৎ যে কাজটি আপনি পারেন সে অনুযায়ী কাজ করতে পারেন।
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • ওয়েব ডিজাইন
  • অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • অ্যাপ মার্কেটিং
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ভিডিও এডিটিং এন্ড অ্যানিমেশন
  • ডাটা এন্ট্রি
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  • কন্টেন্ট রাইটিং
  • সাইবার সিকিউরিটি
  • ফেসবুক মার্কেটিং মেইন মার্কেটিং
  • ইউটিউব মার্কেটিং 
  • ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং
  • সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
  • গুগল এডস

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ১০ টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের নাম

এতক্ষণ আমরা জানলাম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেশে কি ধরনের কাজ করা যায়।এখন আমরা এ কাজগুলো আপনি মার্কেটপ্লেসের কোথায় করতে পারবেন।আমরা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বলতেই দু-একটা নাম জানি যেমনঃFiver,upwork কিন্তু কিন্তু এগুলো ছাড়াও আরো অনেক মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন।আজকে আমি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ১০ টি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের নাম নিয়ে আলোচনা করব যেখানে আপনি আপনার স্কিলকে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।
  • আপওয়ার্ক(Upwork)
  • ফাইবার(Fiverr)
  • ফ্রিল্যান্সার(Frelancer)
  • ৯৯ ডিজাইনস(99designes)
  • পিপল পার আওয়ার(PeoplePerHour)
  • টপটাল(Toptal)
  • ক্রাউড সোর্স(Crowdsource)
  • গুরু(Guru)
  • কোডেবল(Codable)
  • ফ্রিল্যান্স রাইটিং(FrelanceWriting)

  • আপওয়ার্ক(Upwork):অনলাইনে যতগুলো জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস করেছে তার মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে আপওয়ার্ক।বাংলাদেশের অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারী আপার পছন্দ করেন কারণ এখানে ফিনান্সিয়াল ট্রাস্ট এবং কাজের গুণগতমান সঠিক থাকে।ফ্রিল্যান্সারে কতটুকু দক্ষ দক্ষ সেটা মেসেজ এর পাশাপাশি অডিও বা ভিডিও কলের মাধ্যমে জাস্টিফাই করার সুযোগ থাকে এজন্য ক্লাইন্টদের কাছে এটি বেশি জনপ্রিয়।

  • ফাইবার(Fiverr):জনপ্রিয় মার্কেট প্লেসগুলোর আরেকটি হল ফাইবার। বিশ্বের অনেক মানুষ ভার্চুয়াল ভাবে তাদের কাজ ফাইবার এর মাধ্যমে করিয়ে নেই।ফাইবারে বাধ্যতামূলক হল ফ্রিল্যান্সারদের অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে এবং তাদের সার্ভিস সেল করার জন্য অবশ্যই থাকতে হবে।আপনি যেসব সার্ভিস দিবেন সেগুলো আলাদা আলাদা ভাবে গিগ এর মাধ্যমে সাজাতে হবে।প্রতিটা আলাদা আলাদা সার্ভিসের জন্য আপনাকে আলাদা আলাদা ভাবে গিগ তৈরি করতে হবে।

  • ফ্রিল্যান্সার(Frelancer):ফ্রিল্যান্সিং জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে এটি একটি।দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে।এই সাইটে ক্লায়েন্ট দুইভাবে জব পোস্ট করে থাকে কনটেস্ট আকারে এবং প্রজেক্ট আকারে।যদি জব পোস্ট করে থাকে তাহলে ফ্রিল্যান্সার যারা তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কনটেস্ট অংশগ্রহণ করে এবং তাদের কাজ জমা দেয়।আর যদি প্রজেক্ট আকারে জব পোস্ট করে তাহলে ফ্রিল্যান্সার সংশ্লিষ্ট কভার লেটার সহ তাদের কাজ বিড করতে পারে।এরপর ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারদের করা বিড থেকে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যে যোগ্য তাকে বেছে নেই।

আপনি কিভাবে আপনার ফ্রিল্যন্সিং ক্যারিয়ার শুরু করবেন

আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার পূর্বে আগে ভালোমতো সিদ্ধান্ত নিবেন যে আপনি আসলে কোন বিষয় নিয়ে কাজ করতে চান আপনি কোন বিষয়ে দক্ষ।কারণ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেশে কাজের কোন শেষ নেই।আপনি যদি একটু সময় নিয়ে সেখানে ঘাটাঘাটি করতে থাকেন দেখবেন অনেক কাজ আছে।যেমনঃগ্রাফিক ডিজাইন,কন্টেন্ট কনটেন্ট রাইটিং,কন্টেন্ট মার্কেটিং,ওয়েব ডিজাইন,ভিডিও এডিটিং।এখন কোন বিষয় নিয়ে আপনি কাজ করবেন এগুলো থেকে সেগুলো সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার উপর।

কাজ সিলেকশনের ক্ষেত্রে আপনার স্কিল কে প্রাধান্য দিতে হবে যে এই কাজগুলোর মধ্যে আপনার কোন স্কিল রয়েছে।যে বিষয়ে আপনার আগ্রহ অনেক বেশি সেটা নিয়েই আপনার কাজ করা উচিত এবং আপনি যে বিষয়ে সার্ভিস দিবেন সে বিষয়ে আপনাকে অবশ্যই অনেক বেশি পারদর্শী হতে হবে।আপনি যে বিষয় নিয়ে কাজ করছেন মার্কেটপ্লেসে সেটার কেমন জনপ্রিয়তা বা চাহিদা রয়েছে সে বিষয়গুলো আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে।আর ফ্রিল্যান্সিং কাজ মানে ধৈর্য।ধৈর্যের সাথে আপনাকে কাজ করতে হবে।

আরেকটু বিষয় আপনি যেহেতু মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন সেতো আপনাকে মার্কেট সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।কোন মার্কেটপ্লেসের কেমন রুলস বা মার্কেটপ্লেসে কোন কাজে চাহিদা বেশি এগুলো সম্পর্কে আপনাকে ধারণা থাকতে হবে।আপনি যদি কোন একটি ক্লায়েন্টের কাজ পেয়ে থাকেন এবং সেটি যদি সুষ্ঠুভাবে সময়মতো করতে পারেন এবং আপনার কাজের পারফরমেন্স যদি ভালো হয় তাহলে আপনি মার্কেট থেকে আবার খুব সহজেই কাজ পেয়ে যাবেন।

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর চাহিদা এবং ভবিষ্যৎ কেমন

বর্তমানে প্রযুক্তির উন্নতি হওয়ায় ফ্রিল্যান্সিং কাজের বেশ প্রসার ঘটেছে।প্রতিনিয়ত প্রিয় কাজের প্রতি সবার না বেশ আগ্রহ বাড়ছে।বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৩০০ কোটির কাছাকাছি। মানুষ বেশিরভাগ সময় ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকে এজন্য বর্তমানে বহু প্রতিষ্ঠান এবং কোম্পানির তাদের কাজগুলোকে অনলাইন ভিত্তিক করছে যাতে তাদের ব্যবসা আরো বেশি বৃদ্ধি পায়।
বর্তমানে-ফ্রিল্যান্সিং-এর-চাহিদা-এবং-ভবিষ্যৎ-কেমন
আর এসব অনলাইন ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য অনলাইন প্লাটফর্মে কাজ করার দক্ষতা অভিজ্ঞতা ভিত্তিক লোক প্রয়োজন।ফ্রিল্যান্সিং যেহেতু পৃথিবী যেকোনো প্রান্ত থেকেই আপনি ঘরে বসে কাজ করতে পারবেন এজন্য ফ্রিল্যান্সারদেরও চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।পেপাল এর একটি রিপোর্টে দেখা গেছে প্রতিবছর প্রায় ২৩% ভারতীয় ফ্রিল্যান্সাররা ৬০ লক্ষ টাকা করে আয় করছে।


বর্তমানে বাংলাদেশেও ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে অনেক বেশি এগিয়ে গেছে।বাংলাদেশের অনেক তরুণ তরুণী বর্তমানে এই ফ্রিল্যান্সিং পেশার সাথে জড়িত।মাসে তারা লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছেন ঘরে বসেই। বুঝতেই পারছেন বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর চাহিদা কেমন এবং এর ভবিষ্যৎ কেমন হবে। প্রযুক্তির যত বেশি উন্নতি হবে এর চাহিদা তত বেশি বাড়বে।ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ অনেক বেশি ভালো।

ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতি মাসে কত টাকা আয় করা যায় 

ফ্রিল্যান্সিং মানে আমরা মনে করি যে মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম। কিন্তু বাস্তবতা আসলে ভিন্ন ইনকাম সম্পন্ন নির্ভর করে আপনার কাজের উপর তবে যে ইনকামটা আসে সেটা অনেক ভালো বলা যায় কারণ ফ্রিল্যান্সিং হলেও মুক্ত পেশা আপনি আপনার ইচ্ছামত করতে পারেন।আপনি মোবাইল ফোন অথবা কম্পিউটারের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন এবং আপনি মোটামুটি এক লাখ টাকার কাছাকাছি আয় করতে পারেন।তবে এই ইনকাম নির্ভর করবে সম্পূর্ণ আপনার কাজের উপর।এমনকি আপনি এর থেকেও বেশি ইনকাম করতে পারেন।

আপনার অভিজ্ঞতা যত বাড়বে আপনার ইনকামের পরিমাণ তত বাড়তে থাকবে।প্রথমদিকে যদিও এটার পরিমাণ কম কিন্তু ধৈর্য ধরতে হবে।আপনার যদি কাজের দক্ষতা থাকে এবং আপনি সুন্দর মত কাজ করেন তাহলে দেখা যাবে এক সময় আপনাকে আর পায়ের বা ক্লাইন্টিং করা লাগবে না তারাই আপনাকে খুজবে আপনি যেসব পুরনো বায়ারদের সাথে কাজ করেছেন তারাই আপনাকে কাজ দিবে।আর একবার কাজের প্রতি বিশ্বস্ততা চলে আসলে তাদের সাথে টাকা নিয়ে আর কোন ঝামেলা হয় না।বারবার তারা আপনাকে দিয়ে কাজ করাবে।

ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা আপনি কিভাবে তুলতে পারবেন

ফ্রিল্যান্সিং মানেই অনেকে মনে করেন যে লাখ লাখ টাকা ইনকাম ঘরে বসেন।কিন্তু এটা একটা কাজ আপনি আপনার কাজের পারফর্ম যেমন:করবেন আপনার ইনকাম কেমন আসবে।সবকিছু নির্ভর করবে আপনার কাজের দক্ষতার উপর।এখন প্রশ্ন ফ্রিল্যান্সিং করার পর এই টাকা কিভাবে হাতে পাব?

১।এজন্য সর্বপ্রথম আপনাকে যে কোন একটি কাজে ভালো পারদর্শী হতে হবে।

২।এরপর ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্ক,ফাইবার,ফ্রিল্যান্সার এই সাইটগুলোতে আপনার অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

৩।এরপর আপনার কাজের পোর্টফোলিও আপনার প্রোফাইলে যোগ করতে হবে মানে আপনি কি কি কাজ করতে পারেন সেগুলো দিতে হবে।

৪।এরপর আপনাকে Upwork,Fiveer,PeoplePerHour এসব মার্কেটপ্লেশে আপনাকে আপনার কাজের দক্ষতা অনুযায়ী এপ্লাই করতে হবে এবং ফাইবারে আপনার একটা গিগ খুলতে হবে।

৫।এরপর আপনি যদি কোন ক্লায়েন্ট পান সে আপনাকে বলে দেবে কাজ সে আপনাকে কিভাবে করাবে অর্থাৎ ফিক্সড প্রাইজ নাকি ঘন্টা রেটে।

৬।এবার আপনি যে মার্কেটপ্লেস থেকে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা তুলবেন সেটার জন্য আপনাকে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পেওনার পেমেন্ট মেথড লাগবে। এটার জন্য আপনাকে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা অন্যান্য অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

৭।ফ্রিল্যান্সিং করে আপনি যে টাকা ইনকাম করবেন তা আপনার ব্যাংক একাউন্টে অন্য যে অ্যাকাউন্ট আপনার থাকবে সেখানে ডলার হিসেবে উইথড্রা করতে হবে।

৮।এরপর আপনি এই টাকা ডলার থেকে টাকা হিসেবে তুলতে পারবেন।

শেষ কথা:ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে আয় করা যায়

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা খুব একটা কঠিন বিষয় না কারণ আমাদের সবার কাছেই এখন মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপ থাকে।এগুলো দিয়েই আপনি ঘরে বসে খুব সহজে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারবেন।এখানে আপনার পড়াশোনার কোন ক্ষতি হবে না আপনি পড়াশোনা পাশাপাশি এই কাজ করতে পারবেন।তবে আপনি যে কাজটি করবেন বা আপনার যে বিষয়ে স্কিল আছে সে বিষয়ে আপনাকে বেশি দক্ষ হতে হবে।

কারণ আপনার যদি কাজে দক্ষতা না থাকে।আপনি স্কিল ভালো না থাকে আপনি বায়ারের কাজ ভালোমতো করতে না পারেন এতে আপনার প্রোফাইল খারাপ হবে এবং আপনার পরবর্তীতে কাজ পেতে অসুবিধা হবে।এজন্য আপনার যে স্কেল ভালো আছে আপনি সেই স্কিল অনুযায়ী কাজ করবেন এবং কাজ সুন্দর এবং সময় মত করার চেষ্টা করবেন।আজকের আর্টিকেলটি কেমন লাগলো অবশ্যই আপনারা কমেন্ট করে জানাবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর্টিকেল সুত্রার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন।প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়

comment url